কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: বৃহস্পতিবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৫ এ ০৪:৩৪ PM

ইতিহাস

কন্টেন্ট: পাতা

ডিজিটাল নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং ডিজিটাল মাধ্যমে সংঘটিত অপরাধ শনাক্তকরণ ,প্রতিরোধ, দমন,বিচার ও আনুষঙ্গিক বিষয়াদি সম্পর্কে সরকার ‘ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ২০১৮’ প্রণয়ন করে। দেশের ডিজিটাল নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে উক্ত আইনের ৫ ধারার বিধান অনুসারে ২০১৮ সালের ৫ ডিসেম্বর সরকার “ ডিজিটাল নিরাপত্তা এজেন্সি” গঠন করে। পরবর্তীতে সরকার ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮ রহিতক্রমে সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক মাধ্যমে সংঘটিত অপরাধ শনাক্তকরণ, প্রতিরোধ, দমন ও উক্ত অপরাধের বিচার এবং আনুষঙ্গিক বিষয়ে নুতনভাবে ‘সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩’ প্রণয়ন করে যা গত ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৩ খ্রিঃ তারিখে মহামান্য রাষ্ট্রপতির সম্মতি লাভ করে এবং বাংলাদেশ গেজেটে প্রকাশিত হয়। ‘সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩’ এর ধারা ৫(১) অনুযায়ী গত ০৭ নভেম্বর ২০২৩ তারিখে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ আইনের উদ্দেশ্যপূরণকল্পে সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা ‘জাতীয় সাইবার নিরাপত্তা এজেন্সি’ নামে একটি এজেন্সি গঠন করে যা ১৭ নভেম্বর ২০২৩ তারিখ বাংলাদেশ গেজেটে প্রকাশিত হয়।

সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩ এ নাগরিক সুরক্ষা সংক্রান্ত বিধান অপ্রতুল থাকার কারণে সরকার উক্ত আইন রহিত করিয়া সাইবার সুরক্ষা নিশ্চিতকরণ এবং সাইবারস্পেসে সংঘটিত অপরাধ শনাক্তকরণ, প্রতিরোধ, দমন ও এতদ্‌-সংক্রান্ত অপরাধের বিচারসহ আনুষঙ্গিক অন্যান্য বিষয়ে সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ প্রণয়ন করে। অধ্যাদেশ অনুযায়ী 'জাতীয় সাইবার সুরক্ষা এজেন্সি' গঠিত হয়।

বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামোসমূহের মধ্যে সমন্বয়সাধন, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সহযোগীতা প্রদান এবং সাইবার ঝুঁকি ও হুমকি সমূহের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সকলকে সতর্কীকরণ ও  প্রতিকারমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে দেশের সাইবার স্পেস এবং প্রয়োজনীয় ও অপরিহার্য সেবাসমূহের সাইবার সুরক্ষা নিশ্চিতকরণই হচ্ছে জাতীয় সাইবার সুরক্ষা এজেন্সি'র প্রধান উদ্দেশ্য।

এক্সেসিবিলিটি

স্ক্রিন রিডার ডাউনলোড করুন